পীঠ পূজা - Somanandanath
16807
wp-singular,post-template-default,single,single-post,postid-16807,single-format-standard,wp-theme-bridge,wp-child-theme-bridge-child,bridge-core-3.0.2,qode-page-transition-enabled,ajax_fade,page_not_loaded,,qode-child-theme-ver-1.0.0,qode-theme-ver-28.8,qode-theme-bridge,wpb-js-composer js-comp-ver-6.9.0,vc_responsive
 

পীঠ পূজা

পীঠ পূজা

~ কলমে সোমানন্দ নাথ

প্রকৃতি মায়ের কাছে এবং আমার গুরুদেবের কাছে, আমার আচার্যদেবদের কাছে আমি সবসময় ঋণী যে তাঁদের কৃপায় আমি মায়েদের মন্দির ক্ষেত্রে ভক্তদের মঙ্গল কামনায় পূজা, হোম করতে পারি। আমার শ্রীনাথ সবসময় বলেন যে, “তুই এগিয়ে চল এইভাবেই, রয়েছি সঙ্গে” এই কথাটি যে এক শিষ্যের কাছে কতবড় প্রাপ্তি তা যারা এমন কৃপা পেয়েছেন তারাই জানেন। পাশাপাশি সমস্ত আচার্যদেবরা প্রতিনিয়ত বলতেন যে, #সাধন পথে তোকে আটকে রাখার চেষ্টা যারাই করবেন তারা নিজেরাই বিপথে যাবেন”, আর তাই হয়েছে।

প্রসঙ্গত, অতীত এবং আজ অবধি নিজ কর্মে কোনোদিন বিলম্ব করি নি। এখনও ভক্তদের ডাক এলেই ছুটে চলে যাই নানান স্থানে, কখনও মায়ের মন্দিরে আবার কখনও নির্জন স্থানে। আর কোনো না কোনো মুহূর্ত তৈরি হয় যেখানে মনে হয় যে সমস্ত প্রকৃতি আমাকে আশীর্বাদ দিচ্ছেন, বলছেন “এগিয়ে চলো ভক্ত, আমরাও সঙ্গে রয়েছি।” গতকাল গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের পরই বেরিয়ে পরি মায়ের পীঠে। কারণ, আজ চতুর্দশী তিথি। বেশ কয়েকটি প্রয়োগ, সংস্কার ছিল সেই উদ্দেশ্যে। আজ সকাল থেকে প্রয়োগ শুরু হয়, শুরু হয় শ্রীশ্রী নারায়ণের বিশেষ পূজা। দুপুর গড়িয়ে বিকালে হঠাৎ আচমকা দমকা হাওয়া এবং সেই সঙ্গে প্রকৃতির ঠাণ্ডা বায়ু বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সেই ক্ষণ আগত।

উল্লেখ্য, এই গ্রীষ্মে বীরভূমের মাটি খুবই তপ্ত থাকে। কিন্তু কাল থেকে আজ অবধি কোনো কষ্ট হয়নি, বরং সেই তপ্ততা অনুভূতি হয়নি। বরং যেখানেই যখন গিয়েছি তখনই মা সেই ক্ষেত্র এমন ভাবে প্রস্তুত করে রেখেছেন যেন মনে হয় মা সহায়। আর সর্বোপরি গুরুদেব রয়েছেন, তাঁর কৃপা আরও এই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে চলেছেন। আপনারাও নিজ নিজ গুরুর চরণ বন্দনা করুন। মায়ের কৃপায় সকলের মঙ্গল হোক এই প্রার্থনা করি।

Somananda Nath
roychoudhurysubhadip@gmail.com