সাক্ষাৎ মৃত্যুভয় হরণ করে ভক্তকে উদ্ধার করলেন মৃত্যুঞ্জয় - Somanandanath
16563
wp-singular,post-template-default,single,single-post,postid-16563,single-format-standard,wp-theme-bridge,wp-child-theme-bridge-child,bridge-core-3.0.2,qode-page-transition-enabled,ajax_fade,page_not_loaded,,qode-child-theme-ver-1.0.0,qode-theme-ver-28.8,qode-theme-bridge,wpb-js-composer js-comp-ver-6.9.0,vc_responsive
 

সাক্ষাৎ মৃত্যুভয় হরণ করে ভক্তকে উদ্ধার করলেন মৃত্যুঞ্জয়

সাক্ষাৎ মৃত্যুভয় হরণ করে ভক্তকে উদ্ধার করলেন মৃত্যুঞ্জয়

কলমে সোমানন্দ নাথ
আচার্য, বগলামুখী মাতৃ মিশন

ভক্তের সমস্ত অশুভ যোগ থেকে শুরু করে নানান ব্যাঘাত যোগকে বিনাশ করেন আশুতোষ। আদতে শিব হলেন স্বয়ম্ভূ, তাঁকে কেউ সৃষ্টি করেননি। তিনি নিজে নিজেই উদ্ভূত হয়েছেন। আবার শিব হলেন অনাদি অনন্ত যার কোনো সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই, যতদূর চোখ যায় সবেতেই তিনি। তিনি কোথাও যোগেশ্বর’ কোথাও ‘পশুপতি’ আবার কোথাও মহাযোগী নামেও পরিচিত। শিবকে পেতে গেলে সাধকের অবশ্যই নিজ অন্তরে শৈব ভাব থাকা দরকার। কারণ, যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ব্যবহার করবে, যতটুকু দরকার ততটুকু নিজের কাছে রাখবে আর বাকি সবটাই দান করে দেবে সকলের মধ্যে।

আমরা যারা সাধন পথে থেকে সামান্য শান্তি পেতে এসেছি তাদের কাছে শিব হলেন সবকিছুর সার তত্ত্ব। অর্থাৎ, সে কালসর্প যোগ হোক কি গ্রহ শান্তি কিংবা যে কোনো গ্রহগত সমস্যা সমাধানে শিব পূজা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। মূলত, শনিদেবকে প্রশমন করতে শিবের পূজা খুবই প্রয়োজন, এমনই বলে থাকেন সাধকেরা।

এক মাতৃভক্ত তার শিষ্যদের নিয়ে যাচ্ছেন এক ভক্তের বাড়িতে বিশেষ পূজা করতে। বলাবাহুল্য, দীর্ঘদিন তিনি নানান ভক্তের সমস্যা সমাধান করতে নানান পীঠ হোম থেকে শুরু করে শ্মশান সাধনায় মত্ত হয়ে রয়েছেন। সেদিনও দক্ষিণ কলকাতার এক নামকরা ক্ষেত্রে পার হওয়ার সময় হঠাৎই এক বড় বাস এসে সেই ভক্তের গাড়িতে ধাক্কা মারে। আর সেই গাড়িটি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে শুধুমাত্র গুরু কৃপায় এবং সর্বোপরি মা এবং আশুতোষের কৃপায় ভক্ত তাঁর শিষ্যদের নিয়ে গাড়িতে একেবারে সুরক্ষিত থাকেন। সেই পরিস্থিতিতে কয়েক মিনিট তর্ক করে সেখানেই সমস্যার সমাধান হয়। মায়ের কৃপা এমনই,কোনো বিপদই মাতৃ ভক্তদের কাছে আসতে পারে না, সে যে বিপদই হোক।


এবার শুরু হয় মৃত্যুঞ্জয় শিব নামের মহিমা। এবার সেই ক্ষেত্র থেকে আবারও একটি গাড়ি করে পৌঁছাই ভক্তের বাড়িতে। আর সেই গাড়িটি উত্তরপ্রদেশের(ক্ষেত্রটি কাশীক্ষেত্র নামে পরিচিত), অর্থাৎ স্বয়ং কাশীপুরাধীশ্বর নিজে সেই চালককে পাঠালেন আর তিনি আমাদের পৌঁছে দিলেন গন্তব্যে। আমরাও সেই ভক্তের গৃহতে মৃত্যুঞ্জয় শিবের পূজা, হোম সম্পন্ন করলাম। আশুতোষ বুঝিয়ে দিলেন, ‘রাখে শিব তো মারে কে?’ তিনি থাকতে এবং সর্বোপরি গুরু থাকতে শিষ্যের ভয় কি? তিনি যখন রয়েছেন, তখন কোনো বিপদ আসতেই পারে না। ভক্তের নাম সোমানন্দ নাথ।

** আমি সেই দ্বিতীয় চালকের নম্বরের স্ক্রিনশট শেয়ার করলাম (বিশেষ কারণে কিছু অংশ অমিট করা রয়েছে) এবং সেদিনের পূজার ছবি ও আজকের মহামায়া বগলার ছবি শেয়ার করলাম সকলের সঙ্গে। মায়ের কৃপায় সকলের মঙ্গল হোক এই প্রার্থনা করি।

Somananda Nath
roychoudhurysubhadip@gmail.com